বাংলাদেশ

শান্তিবাগের কৃতিসন্তান হাবিবুর রহমান পারভেজের পোয়াপুকুর নিয়ে কিছু কথা- শান্তিবাগ যুবকদের উদ্যোগ ছিল প্রশংসনীয়

আজ কয়েক দিন যাবত মধ্যপাড়া শান্তিবাগের ঘরে ঘরে আনন্দ। দীর্ঘ ১০ বছরের ভারাক্রান্ত মনের অবসান হবে। পহেলা আগস্ট থেকে পোয়া পুকুরটি পরিষ্কারের কাজ শুরু হবে। মৃত প্রায় পুকুরটি আবার জেগে উঠবে স্বচ্ছ পানিতে। গ্রীষ্মের গরমে অস্তির লোকজন ঝাঁপিয়ে পরবে আর বর্ষায় পানিতে টইটুম্বুর থাকবে পুকুরটির ৪ পাড়। মাছ ধরা, হাঁস ধরা আর সাঁতার প্রতিযোগিতার আয়োজন করা হবে। এমন স্বপ্ন বাস্তবায়নের বাঁধ ভাঙ্গা ঢেউয়ে ভাসছে এলাকার প্রতিটি অলি-গলি। এ যেন জেগে জেগে স্বপ্ন দেখা- বাস্তব স্বপ্ন। যে স্বপ্ন এতদিন কেউ ঘুমের মধ্যেও দেথেনি, মূলত: দেখতে সাহস করতে পারেনি। এই জাগ্রত স্বপ্নের আনন্দ রীতিমত মহা উৎসবে রুপ নিয়েছে যে আনন্দ অন্য কোনো উৎসবে দেখা যায়নি। কারণ উৎসবের আনন্দ তো আর সকলের কপালে জুঁটে না। আর আমাদের মতো কম ভাগ্যবানরা তো অপূর্ণতার সাগরে হাবুডুবু খেতে হয় জন্ম থেকে মৃত্যু পযর্ন্ত। 
তারপরও শতশত অশ্রুসিক্ত নয়ন শূণ্যতার দিকে তাকিয়ে প্রশ্ন ছুড়ে দিচ্ছে… এতো সহজে হবে…..? তা কি ভাবা যায়।
গাড়ীর চাকার মত জিলাপি আর ফুটবল সাইজের মিষ্টির কথা কতবারই শুনেছি। কিন্তু বেলা শেষে সবই ঘোড়ার ডিম- অদৃশ্য বস্তু। 
কিন্তু না, আমি আমার দলের প্রতি, আমার নেতার প্রতি, পূর্ণাঙ্গ আস্থা বিশ্বাস আর ভরসা রাখি। এই রাত ভোর হবেই নতুন আলোর প্রতিক্ষায় আমরা।

এতক্ষণ যার লেখাটি পড়লেন সে হচ্ছে শান্তিবাগের কৃতিসন্তান ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা ছাত্রলীগের সাবেক যুগ্ন-আহবায়ক হাবিবুর রহমান পারভেজ । সে ছাত্র জীবন থেকে ছাত্র রাজনীতি ও সাংস্কৃতিকমনা ছিল । সে একজন সংগঠক ও উদ্দোগক্তা বটে । তার হাত ধরে শান্তিবাগের যুবকবৃন্দরা স্বপ্ন বাস্তবায়নের খুবই সন্নিকটে । আরোও দুইজন ছাত্রনেতার নাম হাবিবুর রহমান পারভেজের সাথে মিশ্রিত হয়ে যুব সমাজকে এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছে । একজন শেখ রাসেল ও আরেকজন বিপ্লব হোসেন, তাদের একজন ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর উপজেলা ছাত্রলীগের সাবেক ভারপ্রাপ্ত সভাপতি ও বর্তমানে সিনিয়ন সহ-সভাপতি শেখ রাসেল অপরজন সহ-সভাপতি বিপ্লব হোসেন । এই মানুষগুলোকে নিয়ে স্বপ্ন দেখে শান্তিবাগের যুবকবৃন্দরা কিছু নতুনত্বের ।