বাংলাদেশ

ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেনারেল হাসপাতালে জমকালো আয়োজনে ভায়া, সি.বি.ই ও কল্পোস্কপি সেন্টার উদ্বোধন-

ব্রাহ্মণবাড়িয়া ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালে ভায়া, সি.বি.ই ও কল্পোস্কপি সেন্টার উদ্বোধন হয়েছে।

আজ ১৭ ই সেপ্টেম্বর সকাল ১১.০০ ঘঃ ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেনারেল হাসপাতালে জমকালো আয়োজনে কল্পোস্কপি সেন্টার উদ্বোধন হয়৷ উক্ত কল্পোস্কপি সেন্টারের সকল কার্যক্রম এর উদ্দোক্তা ছিলেন- ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেনারেল হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক ডাঃ শওকত হোসেন ও গাইনী কনসালটেন্ট ডাঃ ফৌজিয়া আখতার।

সকালে উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে তত্ত্বাবধায়ক ডাঃ শওকত হোসেন এর সভাপতিত্বে ও ডাঃ মাফিদা আক্তার হ্যাপীর পরিচালনায় প্রধান অতিথি ছিলেন স্বাধীনতা চিকিৎসা পরিষদ(স্বাচিব) ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা শাখার সভাপতি ডাঃ আবু সাঈদ ও বিশেষ অতিথি ছিলেন ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সিভিল সার্জন ডাঃ শাহ আলম সরকার।

সকল আনুষ্ঠানিকতার পর প্রধান অতিথি ও বিশেষ অতিথিগন কেক ও ফিতা কেটে কল্পোস্কপি সেন্টার উদ্বোধন করেন৷ এ সময় আরো উপস্থিত ছিলেন- ডাঃ ইকরামুরেজা টিপু, ডাঃ মাসুম ইফতেখার, ডাঃ এম এ মনসুর, ডাঃ এম এ ফায়েজ, ডাঃ এম এ এহসান, ডাঃ ঈসা মোঃ বাকের, ডাঃ ফাইজুর রহমান ফয়েজ, ডাঃ খোকন দেবনাথ, ডাঃ হাবিবুর রহমান শামীম, ডাঃ সায়েম আহমেদ, ডাঃ জুনায়েদূর রহমান লিখন, ডাঃ মাকসুকুর রহমান পলাশ, ডাঃ তওহিদ ও ডাঃ নুরুল আমিন পিয়াল এবং গাইনী ডাক্তারদের মধ্যে  ছিলেন- ডাঃ মোহিনী বেগম, ডাঃ আইরিন হক, ডাঃ মারিয়া পারভীন, ডাঃ শারমিন হক স্বর্না, ডাঃ ফারহানা ইয়াছমিন, ডাঃ শাহনাজ জাহান, ডাঃ তাসনুভা বেগম, ডাঃ জিনান রেজা, ডাঃ ফৌজিয়া জাফরিন টিকলী, ডাঃ কামরুন্নাহার বেগম প্রমুহ।   

তত্ত্বাবধায়ক ডাঃ শওকত হোসেন বলেন- জরায়ুমুখে ক্যান্সার নারীদের শারীরিক বিভিন্ন সমস্যার মধ্যে অন্যতম আকার ধারণ করেছে। সাধারণত বিবাহিত এবং ৩০ বছরের বেশি বয়সের নারীরা এ ক্যান্সারে আক্রান্ত হচ্ছেন।ডাঃ ফৌজিয়া আখতার তাদের প্রচেষ্টায় ব্রাহ্মণবাড়িয়া ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালে ভায়া, সি.বি.ই ও কল্পোস্কপি সেন্টার করতে পেরেছি । আমি আশা রাখি যে ডাঃ ফৌজিয়া আখতারের মাধ্যমে ভায়া, সি.বি.ই ও কল্পোস্কপি সেন্টারে রোগীরা সঠিক চিকিৎসা নিতে পারবে ।   

গাইনী কনসালটেন্ট ডাঃ ফৌজিয়া আখতার বলেন- দীর্ঘ পথ চলার পর বঙ্গবন্ধু বিশ্ববিদ্যালয়(পিজি) হাসপাতাল এবং কর্তৃপক্ষের সহায়তায় ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতাল ব্রাহ্মণবাড়ীয়ায় কল্পোস্কপি সেন্টার চালু করা হলো। তিনি ডাঃ আবু সাইদ ও ডাঃ শওকত হোসেন এর সহযোগীতার কথা সবার মাঝে ফুটিয়ে তুলেল, তিনি বলেন আমি যদি আরো সহযোগিতা পাই তাহলে ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় নারীদের জরায়ু মুখে ক্যান্সারের জিরোতে নিয়ে আসবো ।

তিনি বলেন ৩০ বছর বয়সের পর প্রতিটি নারীর জরায়ু মুখে ক্যান্সারের পূর্ব লক্ষন আছে কি না তা বোঝার জন্য একবার করে হলেও ভায়া পরীক্ষা করা উচিত। ভায়া পজিটিভ হলে পরবর্তি ধাপ হলো কল্পোস্কপি পরীক্ষা করা ও যথাযথ চিকিৎসা করা। আগে ব্রাহ্মণনাড়ীয়ার ভায়া পজিটিভ রোগীরা চিকিৎসার জন্য ঢাকার পিজি হাসপাতালে যেতে হতো, এখন থেকে তাদের কল্পোস্কপি পরীক্ষা ও চিকিৎসা ব্রাহ্মণবাড়ীয়া জেনারেল হাসপাতালেই হবে। জরায়ু মুখের ক্যান্সারে প্রধান দুটি কারন হচ্ছে কম বয়সে বিয়ে ও ঘন ঘন বাচ্চা নেওয়া। ১৮ বৎসরের কম বয়সে বিয়ে হলে এবং ২০ বৎসর বয়সের কমে ও ঘন ঘন বাচ্চা হলে জরায়ু মুখের ক্যান্সারের সম্ভাবনা বেড়ে যায়।

তাছাড়া হাসপাতালের নার্সেস উপসেবা তত্ত্বাবধায়ক, নার্সিং সুপারভাইজারসহ সিনিয়র স্টাফ নার্সরাও উপস্থিত ছিলেন। উক্ত উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বঙ্গবন্ধু বিশ্ববিদ্যালয়(পিজি) হাসপাতালের ডাঃ রিপা বেগম ও ডাঃ কেয়া আখতার উপস্থিত ছিলেন।