রাজনীতি

ভেঙে গেছে’ বিকল্পধারা, বি. চৌধুরী মান্নান মাহীকে বহিষ্কার

বিকল্পধারা বাংলাদেশের সিনিয়র প্রেসিডিয়াম সদস্য ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক নুরুল আমীন বেপারীকে সভাপতি ও দলের সহসভাপতি অ্যাডভোকেট শাহ আহমেদ বাদলকে মহাসচিব করে দলটি নতুন কমিটি ঘোষণা করেছে। নতুন অংশের সভাপতি নুরুল আলম ব্যাপারী শুরু থেকেই বিকল্পধারার সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য ছিলেন।

শুক্রবার বেলা ১১টায় প্রেসক্লাবের সামনে সাংবাদিকদের এ কথা জানান নুরুল আমীন ও বাদল। এসময় বিকল্পধারার সভাপতি বি. চৌধুরী, মহাসচিব আবদুল মান্নান, ও সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব মাহী বি. চৌধুরীকে পদ থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে বলেও জানানো হয়।

নিজেদের মূল অংশ দাবি করা বিকল্পধারার এই অংশটি জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের সঙ্গে থাকছে। ফলে বিকল্পধারার দুটি অংশের একটি অর্থাৎ বি. চৌধুরীর বিকল্পধারা যুক্তফ্রন্টে আর নুরুল আলমের বিকল্পধারা ঐক্যফ্রন্টে থাকবে।

মূলত ড. কামাল হোসেনের নেতৃত্বাধীন জাতীয় ঐক্যফ্রন্টে যোগ না দেওয়ার কারণে এই দুই নেতা দল থেকে বেরিয়ে গেছেন। এর আগে গত শনিবার শাহ আহম্মেদ বাদল ও জানে আলমকে বিকল্পধারা থেকে বহিষ্কার করেন বি. চৌধুরী। ঐক্যফ্রন্টে যোগ না দেওয়ার কারণে তখন এই দুই নেতা দল থেকে বেরিয়ে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নেন। শাহ আহম্মেদ বিকল্পধারার সহ সভাপতি ও জানে আলম কৃষি বিষয়ক সম্পাদক ছিলেন।

এর আগে ২০০৪ সালে বিকল্পধারা গঠনের এর কামাল আহমেদ নামে এক নেতা দলে ভাঙন ধরান। তবে সেই ভাঙন স্থায়ী হয়নি। বা দলের ওপর কোনো প্রভাব পড়েনি। তবে এবারের ভাঙনের কারণে বিকল্পধারা দুটি অংশে বিভক্ত হলে বলেই ধারণা করা হচ্ছে। কেননা বি. চৌধুরীর বিকল্পধারা যুক্তফ্রন্টে থাকছে, আর নতুন অংশটি বিকল্পধারা নামে জাতীয় ঐক্যফ্রন্টে যুক্ত হচ্ছে।

বিকল্পধারার সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব মাহী বি. চৌধুরী বলেছেন, বিকল্পধারা অটুটই আছে। কেউ কেউ হয়তো বিকল্পধারার আদর্শ থেকে বিচ্যুত হয়ে বেরিয়ে গেছেন।

নতুন মহাসচিব শাহ আহম্মেদ বাদল দাবি করেন, তারাই বিকল্পধারার মূল রাজনীতির প্রধান স্রোত। এর বাইরে যারা তারা জন আকাঙ্ক্ষার বিরোধী শক্তি।