লাইফস্টাইল

বদলে গেছে সকালের নাশতা

সকালের নাশতায় রুটি-ভাজি মুখে রোচে না শিবলীর। রাজধানীর গুলশান এলাকায় একটি বেসরকারি অফিসে চাকরি করেন তিনি। ঘুম থেকে উঠেই বেরিয়ে পড়তে হয়। তাই বেশির ভাগ সময় নাশতাটা হয় বাইরে। জানালেন, গুলশানের ভালো কোনো রেস্তোরাঁয় সাধারণত ‘ইংলিশ ব্রেকফাস্ট’ করেন তিনি। মাখন দিয়ে ফ্রেঞ্চ টোস্ট, চিকেন সসেজ আর ভাপ ছড়ানো এক কাপ কালো কফি বেশ চনমনে করে তোলে তাঁকে। রাজধানীতে হালে অনেকেরই এভাবে বদলে গেছে সকালের নাশতা।

বলা হয়, ফ্যাশনের ধারা সময়ের সঙ্গে তাল মিলিয়ে দ্রুত পাল্টায়। আজ যা চলছে, ভালো লাগছে, কাল তা হয়তো আর মনে ধরবে না। রুচির বদল এখন কেবল পোশাক বা সাজে থেমে নেই, দৈনন্দিন খাদ্যাভ্যাসও পাল্টাচ্ছে। চালু হচ্ছে নতুন ধারা। পুষ্টিবিদেরা বলেন, সারা দিনের কাজে শক্তি পেতে ভালো ও স্বাস্থ্যকর নাশতার বিকল্প নেই। তাই একঘেয়ে নাশতায় অনেকেই বৈচিত্র্য খোঁজেন।

বিশ্বের অনেক দেশেই ‘ইংলিশ ব্রেকফাস্ট’ বেশ জনপ্রিয়। আধুনিক ‘ইংলিশ ব্রেকফাস্টে’ থাকে সিরিয়াল, বেকন, ডিম, ব্রেড টোস্ট, জেলি। সঙ্গে আরও থাকে চা অথবা কফি। বাংলাদেশে এই ধরনের সকালের খাবারের সঙ্গে মানুষ পরিচিত। তবে বাড়িতে খুব বেশি এগুলো খাওয়ার প্রচলন নেই। আসলে ব্যস্ত সময়ে খুব আয়োজন করে বাড়িতে বসে নাশতা তৈরি করে খাওয়ার সময় কজনই–বা পান? তাই এখন অনেকেই খাবারের স্বাদে ভিন্নতা আনতে ছোটেন রেস্তোরাঁয়।